আগামী পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এবার পরীক্ষায় ১৬ লাখ ৫১ হাজার ৫২৩ জন অংশ নেবে।
শনিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এই তথ্য জানান।
তিনি জানান, এবার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬ লাখ ৫১ হাজার ৫২৩ জন। এর মধ্যে এসএসসিতে ১৩ লাখ ৪ হাজার ২৭৪ জন, দাখিলে ২ লাখ ৪৮ হাজার ৮৬৫ জন এবং ভোকেশনালে ৯৮ হাজার ৩৮৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে। সারা দেশে মোট ৩ হাজার ১৪৩টি কেন্দ্রে ২৮ হাজার ১১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেবে।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, এ বছর বিদেশে কেন্দ্র থাকবে আটটি। তিনি জানান, এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় কিছু পরিবর্তন থাকছে। আগে শিক্ষার্থীদের শুধু সৃজনশীল বা রচনামূলক অংশের উত্তর পরীক্ষার শুরুতে দিতে হতো। তবে এবার থেকে শুরুতে দিতে হবে এমসিকিউ অংশের উত্তর। এই দুই অংশের পরীক্ষার মধ্যে বিরতি থাকবে ১০ মিনিট।
পরীক্ষা শুরুর অন্তত তিনদিন আগে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রধানের কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে শিক্ষার্থীদের।
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার বেশির ভাগ বিষয়ের প্রতি পত্রে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর মধ্যে ৬০ নম্বর বরাদ্দ থাকে সৃজনশীল অংশের জন্য এবং ৪০ নম্বর থাকে এমসিকিউ অংশের জন্য। এ ছাড়া যেসব বিষয়ে ব্যবহারিক অংশ আছে, সেখানে এমসিকিউয়ের জন্য বরাদ্দ থাকে ৩৫ নম্বর। একজন পরীক্ষার্থীকে এই তিনটি অংশেই আলাদাভাবে পাস করতে হয়।
তিনি আরো জানান, এ বছর বাংলা দ্বিতীয় পত্র এবং ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র ছাড়া সব বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হবে। শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা নামে একটি নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এ বিষয়েও সৃজনশীল প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হবে।
নুরুল ইসলাম নাহিদ জানান, সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরীক্ষা গ্রহণের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি জানান, এবার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬ লাখ ৫১ হাজার ৫২৩ জন। এর মধ্যে এসএসসিতে ১৩ লাখ ৪ হাজার ২৭৪ জন, দাখিলে ২ লাখ ৪৮ হাজার ৮৬৫ জন এবং ভোকেশনালে ৯৮ হাজার ৩৮৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে। সারা দেশে মোট ৩ হাজার ১৪৩টি কেন্দ্রে ২৮ হাজার ১১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেবে।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, এ বছর বিদেশে কেন্দ্র থাকবে আটটি। তিনি জানান, এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় কিছু পরিবর্তন থাকছে। আগে শিক্ষার্থীদের শুধু সৃজনশীল বা রচনামূলক অংশের উত্তর পরীক্ষার শুরুতে দিতে হতো। তবে এবার থেকে শুরুতে দিতে হবে এমসিকিউ অংশের উত্তর। এই দুই অংশের পরীক্ষার মধ্যে বিরতি থাকবে ১০ মিনিট।
পরীক্ষা শুরুর অন্তত তিনদিন আগে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রধানের কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে শিক্ষার্থীদের।
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার বেশির ভাগ বিষয়ের প্রতি পত্রে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর মধ্যে ৬০ নম্বর বরাদ্দ থাকে সৃজনশীল অংশের জন্য এবং ৪০ নম্বর থাকে এমসিকিউ অংশের জন্য। এ ছাড়া যেসব বিষয়ে ব্যবহারিক অংশ আছে, সেখানে এমসিকিউয়ের জন্য বরাদ্দ থাকে ৩৫ নম্বর। একজন পরীক্ষার্থীকে এই তিনটি অংশেই আলাদাভাবে পাস করতে হয়।
তিনি আরো জানান, এ বছর বাংলা দ্বিতীয় পত্র এবং ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র ছাড়া সব বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হবে। শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা নামে একটি নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এ বিষয়েও সৃজনশীল প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হবে।
নুরুল ইসলাম নাহিদ জানান, সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরীক্ষা গ্রহণের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।


